শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে পরীক্ষার ফলাফল, উপস্থিতি থেকে বেতন সংগ্রহ — সবকিছু এক জায়গায়। মাত্র ৳৯৯৯/মাসে সম্পূর্ণ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা।
কাগজের ফাইল, রেজিস্টার খাতা এবং ম্যানুয়াল হিসাবের ঝামেলা থেকে মুক্তি পান। সবকিছু এখন আপনার হাতের মুঠোয়।
ভর্তি, শ্রেণী বদলি, প্রোফাইল, ছবি, অভিভাবকের তথ্য এবং পূর্ববর্তী বিদ্যালয়ের তথ্য সংরক্ষণ করুন সহজেই।
প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে পুরো শ্রেণীর উপস্থিতি নিন। অনুপস্থিত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবককে SMS যাবে।
NCTB গ্রেডিং অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় GPA হিসাব। এক ক্লিকে রিপোর্ট কার্ড তৈরি করুন এবং প্রিন্ট করুন।
নগদ, বিকাশ, নগদ ও রকেটে বেতন গ্রহণ করুন। রসিদ প্রিন্ট করুন এবং বকেয়ার SMS পাঠান।
MPO ও Non-MPO শিক্ষকদের তথ্য, NTRCA নম্বর, বেতন, ছুটি এবং উপস্থিতি এক জায়গায় রাখুন।
EMIS, BANBEIS এবং DPE/DSHE-এর জন্য প্রয়োজনীয় রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করুন।
কোনো প্রযুক্তিগত জ্ঞান লাগবে না। আমাদের দল আপনাকে সেটআপ করতে সাহায্য করবে।
আপনার বিদ্যালয়ের নাম, EIIN এবং প্রধান শিক্ষকের মোবাইল নম্বর দিয়ে বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন।
শ্রেণী, বিভাগ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য দিন। Excel থেকেও আমদানি করা যাবে।
আজ থেকেই উপস্থিতি নিন, বেতন সংগ্রহ করুন এবং পরীক্ষার নম্বর যোগ করুন।
সহজ, দ্রুত এবং যেকোনো Android ফোনে কাজ করে।
২৮টি সম্পূর্ণ মডিউল। প্রতিটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে তৈরি।
Google Gemini 2.0 Flash দিয়ে চালিত। NCTB পাঠ্যক্রম বোঝে, বাংলায় কথা বলে, শিক্ষকের ঘণ্টার পর ঘণ্টার কাজ মিনিটে করে দেয়।
পাঠ পরিকল্পনা লেখা, বাড়ির কাজ তৈরি, বিজ্ঞপ্তি রচনা — এসব কাজ এখন AI আপনার হয়ে করবে। শিক্ষকরা আরও বেশি সময় দিতে পারবেন শিক্ষার্থীদের।
সাধারণ বা AI-সংযুক্ত — যত বেশি মেয়াদ, তত বেশি সাশ্রয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
আপনার বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট চাহিদা আছে? একাধিক শাখা, বিশেষ মডিউল, বা দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি — আমরা আপনার জন্য বিশেষ প্যাকেজ তৈরি করব।
আগে প্রতি মাসে বেতন সংগ্রহে ৩-৪ দিন লাগত। এখন একদিনেই সব শেষ। অভিভাবকরা বিকাশে বেতন দিচ্ছেন, আমরা রসিদ দিচ্ছি — সব কিছু কত সহজ হয়ে গেছে।
পরীক্ষার নম্বর দেওয়ার পর রিপোর্ট কার্ড নিজেই তৈরি হয়ে যায়। GPA হিসাব করতে হয় না। আমাদের বিদ্যালয়ে ১২০০ শিক্ষার্থী — আগে কল্পনাও করতাম না এত সহজ হবে।
আমার ছেলে স্কুলে না গেলে সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে SMS পাই। আগে জানতামই না সে স্কুল কামাই করছে। এই সিস্টেম সত্যিই অভিভাবকদের অনেক উপকার করছে।